The wife saved her husband with her own kidney

8 / 100

নিজের কিডনি দিয়ে স্বামীকে বাঁচালেন স্ত্রী

লালমনিরহাট: মুমূর্ষু স্বামীকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন লালমনিরহাটে রুমা বেগম (৩০)। স্বামীর প্রতি এমন বিরল ভালোবাসায় ওই নারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলাকাবাসী। বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী দুজনই ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রুমা বেগম লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুগলিবাড়ী এলাকার নুর হোসেনের (৩৫) স্ত্রী। জানা গেছে, ১৪ বছর আগে উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুগলিবাড়ী গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে নুর হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উফারমারা মাছির বাজার এলাকার সহিদার রহমানের মেয়ে রুমা বেগমের।

বিয়ের ১০ বছর পর নুর হোসেনের কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়ে। পরে রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় মাস ডায়ালাইসিস করান। ভারতে গিয়েও চিকিৎসা নেন। পাঁচ মাস আগে নুর হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান নুর হোসেন।

সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানান, তার দুটি কিডনিই অচল হয়ে গেছে। রোগীকে বাঁচাতে হলে কমপক্ষে একটি কিডনির ব্যবস্থা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে তারা বিভিন্ন কিডনি ব্যাংকে যোগাযোগ করেন। তবে কিডনি সংগ্রহ করতে পারেননি। এতে পরিবারটি হতাশ হয়ে পড়ে। তবে নুর হোসেনের সঙ্গে নিজের কিডনি মিলে যাওয়ায় স্বামীকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দিতে রাজি হন রুমা বেগম।

Lalmonirhat: Ruma Begum (30) set a rare example in Lalmonirhat with her own kidney to save her dying husband. The five-faced locals praised the woman for her rare love for her husband. Both the husband and wife are currently undergoing treatment at a hospital in Dhaka.

Ruma Begum is the wife of Nur Hossain (35) of Muglibari area of ​​Burimari union in Patgram upazila of Lalmonirhat. It is learned that Ruma Begum, daughter of Sahidar Rahman of Ufarmara Machir Bazar area of ​​Ward 4 of the same union, got married to Nur Hossain, son of Sohrab Hossain of Muglibari village in Burimari union of the upazila 14 years ago.

After 10 years of marriage, Nur Hossain was diagnosed with kidney problems. Later he underwent dialysis at Rangpur Government Medical College Hospital for six months. He also went to India for treatment. Five months ago, Nur Hossain fell seriously ill. The doctor on duty advised to take him to Dhaka for better treatment. Later, Nur Hossain went to a private hospital in Dhaka.

After examining the report, the doctor said that both his kidneys were paralyzed. At least one kidney must be provided to save the patient. On the advice of the doctor, they contacted various kidney banks. However, the kidneys could not be collected. The family was disappointed. However, Ruma Begum agreed to donate one of her kidneys to save her husband as her kidney matched with Nur Hossain’s.

Leave a Comment