The teacher who was injured in the beating of the student has died

5 / 100

ছাত্রের মারধরে আহত সেই শিক্ষক মারা গেছেন

স্কুলের শিক্ষার্থীর হামলার শিকার হয়ে দুই দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলে গেলেন শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার (৩৫)। সোমবার (২৭ জুন) সকাল ৬টার দিকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, গত (২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে ওই শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় স্কুলটির এক শিক্ষার্থী। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ওই শিক্ষককে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় উৎপল কুমার সরকারের ভাই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন

অভিযুক্ত ছাত্রের নাম আশরাফুল ইসলাম জিতু। জিতু চিত্রশালাই এলাকার উজ্জ্বল হাজীর ছেলে এবং বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। ঘটনার তিন দিন হলেও পুলিশ অভিযুক্ত সেই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, ‘আমাদের স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। দুপুরে মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে হঠাৎ করে এসে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে ওই ছাত্র। স্টাম্পের আঘাতে শিক্ষকের মাথায় জখম হয়। উৎপল স্যার স্কুলের শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি। তিনি ছাত্রদের বিভিন্ন সময় চুল কাটতে বলাসহ বিভিন্ন আচরণগত সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করেন। বিভিন্ন অপরাধের বিচারও করতেন তিনি। হয়তো কোনো কারণে সেই শিক্ষকের ওপর ছাত্রটির ক্ষোভ ছিল। ’

নাম প্রকাশ না করে বিদ্যালয়ের এক কর্মী বলেন, ‘হামলা পরে বুঝতে পেরেছি ওই ছাত্র হামলার উদ্দেশে আগেই বিদ্যুতের মেইন সুইস বন্ধ করে নিয়েছিল, যাতে সিসি ক্যমারায় এই ভিডিও দেখা না যায়। ’

মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার এসআই এমদাদুল হক বলেন, ‘আজ সকালে তিনি মারা গেছেন। নিহত শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ছিলেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময় নিয়ম-কানুন মানাতে শাসন করতেন। হয়তো এমন কোনো ক্ষোভ থেকেই হামলা করেছে। অভিযুক্ত জিতুসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জিতুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে

Leave a Comment