আল্লাহ লইয়া গেছে, কিচ্ছু করার নাই বলে কেঁদে দেয় জান্নাত

11 / 100

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ট্রাকচাপায় মা বাবা সন্তানসহ তিনজন মারা যাওয়ার শোকে স্তব্ধ পরিবার একই সাথে ট্রাক চাপায় অন্তঃসত্ত্বা মায়ের পেট ফেটে নবজাতক বেঁচে যাওয়ার ঘটনাকে নজিরবিহীন বা অলৌকিক বলছে স্বজন ও প্রতিবেশীরা। কেউ কেউ বলছেন, এমন ঘটনা দেখা তো দুরে থাক। কেউ কোন দিন এমন ঘটনা শুনেননি।

রবিবার (১৭ জুলাই) সকালে ত্রিশাল উপজেলার রায়মণি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নিজ বাড়ি আঙ্গিনায় একমাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪০), অস্তঃসত্ত্বা পুত্রবধু রত্না বেগম (৩০), নাতনী সানজিদার (৬) কবরের পাশে বসে বিলাপ করে কাঁদছেন বৃদ্ধ মা সুফিয়া বেগম। পাশেই বসে আছে বাবা মা বোন হারানো অপর দুই সন্তান এবাদত মিয়া (৮) ও মেয়ে জান্নাত আক্তার (১০)। আহাজারী দেখে স্তব্ধ এলাকাবাসী। কারোর মুখেই নেই যেন কোন কথা নেই। ওই এলাকার আনিস মিয়া বিডি২৪লাইভকে বলেন,জাহাঙ্গীর আলম খুব ভাল মানুষ ছিলেন। তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল দুপুরের দিকে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রত্নাকে নিয়ে আল্টাসনোগ্রাফি করাতে ত্রিশালে যায়। এসময় তার সাথে যায় মেয়ে সানজিদাও।সেখানে গিয়ে রাস্তা পারাপারের সময় ট্রাক চাপায় তিনজনই মারা যায়। তবে, ট্রাক চাপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেট ফেঁটে বাচ্চা হয়ে বেঁচে আছে, এটা নজিরবিহীন, অলৌকিক। আমার এই জীবনে এমন ঘটনা দেখেনি বা শুনিনি। তবে দোয়া করি ওই শিশু যেন বেঁচে থাকেন।এবিষয়ে নিহত জাহাঙ্গীর আলমের ১০ বছরের মেয়ে জান্নাত আক্তার বিডি২৪লাইভ কে বলেন, আমার আব্বা আম্মারে নিয়ে আল্টাসনোগ্রাফি করাতে গেছিল। সেখানে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাক ধাক্কা দিলে আব্বা, আম্মা মরে গেছে। আমার একটা বোনও মাথায় আঘাত পেয়ে মরে গেছে। আমার আম্মার পেটে যে বাচ্চা ছিল। ওই আম্মার পেট ফুইট্টা বাইর হইয়া পড়ছে। সে এখনো বাঁইচ্চা আছে।

তোমার বাবা মা কোথায় জানতে চাইলে হাতের ইশারায় কবর

Leave a Comment