মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন কাকলী সাহা

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ কাকলী সাহা (৩৭) মারা গেছেন। ১২ দিন ধরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নেওয়ার পর বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তিনি মারা যান।কাকলী সাহা বোয়ালমারী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং নিউমার্কেটে অবস্থিত লাবনী স্টোরের মালিক অলোক রায়ের স্ত্রী।পরিবার সূত্র

জানায়, গত ১৫ এপ্রিল গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন কাকলী সাহা। এ সময় অসাবধানতাবশত গ্যাসের চুলার আগুন তার কাপড়ে ধরে যায়। এতে তার শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ পুড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি

করা হয়।এ ব্যাপারে গৃহবধূর স্বামী অলোক রায় জাগো নিউজকে বলেন, ১২ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর বুধবার সকালে কাকলী সাহা মারা যায়।বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ওই গৃহবধূকে যখন আমাদের হাসপাতালে আনা হয় তখন তার শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া অবস্থায় দেখতে পাই। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন= ইউক্রেনে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি নিয়ে পশ্চিমাদের সতর্ক করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।তিনি বলেন, ইউক্রেনে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি বাড়ছে এবং বিষয়টিকে ছোট করে দেখা উচিৎ নয়। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিতে ন্যাটো এরই মধ্যে কিয়েভে অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে রাশিয়ার সঙ্গে পরোক্ষভাবে ‘প্রক্সি যুদ্ধে’ জড়িয়ে গেছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।গতকাল রাশিয়ার জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ জানান, ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে যেকোনো চুক্তিতে যুদ্ধক্ষেত্রের চলমান পরিস্থিতি বেশ প্রভাব ফেলবে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়ানো কতটুকু জরুরি?—এমন প্রশ্নের জবাবে ল্যাভরভ বলেন, ‘রাশিয়া যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক যুদ্ধ এড়ানোর নীতিতে স্থির থাকতে চায়। এটাই আমাদের মূল অবস্থান। এ মুহূর্তে এ ধরনের কিছু ঘটার ঝুঁকি অনেক।’

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা কৃত্রিমভাবে এই ঝুঁকি বাড়াতে চাই না। অনেকেই সেরকমটা চাইবেন। এ মুহূর্তে গুরুতর ও প্রকৃত বিপদের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা একে হালকাভাবে নিতে চাই না।’ মস্কোর উদ্যোগকে সমর্থন করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ফলপ্রসূ আলোচনা না হওয়ার জন্য ওয়াশিংটন দায়ী। আমরা ইউক্রেনে বসবাসরত রুশদের সুরক্ষিত করার উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়েছি দেখে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।’ তিনি জানান, পশ্চিমের কাছ থেকে জ্যাভেলিন ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, সাঁজোয়াযান ও অত্যাধুনিক ড্রোনের মতো উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র ইউক্রেনে আসার বিষয়টি পুরোপুরি উসকানিমূলক এবং এতে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার পরিবর্তে আরও স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। এটা ভিন্ন কিছু নয়। বস্তুত, ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে প্রক্সি যুদ্ধ করছে। তারা তাদের প্রক্সিকে অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত করছে।’

Leave a Comment