বাদ পড়ায় অন্য কিছুর গন্ধ পাচ্ছেন রাহী!

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে জায়গা হয়নি পেসার আবু জায়েদ রাহীর। তাকে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ফর্ম বিবেচ্য ছিল না। দেশের মাটিতে কম গতি আর সুইং কাজ করবে না-এমন ভাবনাই নির্বাচকদের ভাবিয়েছে বেশি।

অথচ বিগত বছরগুলোতে টেস্ট দলে তার থাকা প্রায় নিয়মিতই ধরে নেওয়া হতো। যেহেতু সুইয়ের কার্যকারিতা তাকে আলাদা সুবিধা দিতো। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়গুলোয় সেই ধারটা পাওয়া যায়নি। তাই আনক্যাপড পেসার রেজাউর রহমানকে দলে ভেড়ানো হয়েছে তার জায়গায়।

সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গেলেও কোনও টেস্টেই খেলার সুযোগ পাননি এই মিডিয়াম পেসার। দক্ষিণ আফ্রিকায় ‍উদ্বোধনী টেস্টে অভিজ্ঞ জায়েদের বদলে নেওয়া হয় পেসার খালেদ আহমেদকে। এমনকি শরিফুল ইসলাম ছিটকে যাওয়ার পরেও- যেটা ইঙ্গিত দেয় যে, জায়েদের সময় প্রায় ফুরিয়ে এসেছে!

তবে হতাশ রাহী কিন্তু অন্য কিছুর গন্ধ পাচ্ছেন। ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘মিরপুরেই শেষ দুই টেস্টে ১০ উইকেট নিয়েছি। এই পেস দিয়েই। আমার মনে হয় না গতি এখানে কোনও ইস্যু। এখানে অন্য কোনও কাহিনি থাকতে পারে।’

রাহী প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ‘১৩ ম্যাচে এই গতিতে বল করেই ৩৪ উইকেট নিয়েছি। আমি বুঝতে পারছি না, হঠাৎ করে এমন বোধ কোথা থেকে উদয় হলো। এখন গতি শুধু কাজে দেয় না। সুইংয়েরও দরকার। দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যারি কারস্টেন একাডেমিতে একজন পেস বোলিং কোচ আমাকে বলেছেন- তীব্র গতিতে বল করার দরকার নেই। যদি আমি সুইং করাতে পারি আর ঘণ্টায় ১৩০ কিমি গতিতে বল করতে পারি, সেটা ১৪০ কিমির মতোই কার্যকরী হবে।’

নির্বাচক হাবিবুল বাশার অবশ্য নিজেদের এমন অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমরা জেনুইন ফাস্ট বোলার নিয়ে একটা ধারা শুরু করতে চাচ্ছি। আগে হয়তো সেভাবে ভাবতাম না। কারণ আমাদের হাতে এমন পেসার ছিল না। এখন কিন্তু সেই অবস্থাটা নেই। আমরা বুঝতে পেরেছি ভালো করতে হলে ঘণ্টায় ১৩৫ থেকে ১৪০ কিমি গতির বোলার দরকার।’

Leave a Comment